Press releasePress release

বাংলাদেশ দূতাবাস, সিউলে ইপিএস কর্মীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনু্ষ্ঠিত

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

আজ সিউলস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ২০ জানুয়ারী ২০১৯, রোজ রবিবার বেলা ৩.০০ ঘটিকায় দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশী ইপিএস কর্মীদের এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

০২.      দূতাবাস প্রাঙ্গনে আয়োজিত উক্ত মতবিনিময় সভায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ইপিএস কর্মী স্বতঃস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। মান্যবর রাষ্ট্রদূত তাদের স্বাগত জানিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। তিনি জানান যে, দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশী ইপিএস কর্মীদের উচ্চ শিক্ষার পথ সুগম করার জন্য বাংলাদেশ দূতাবাস ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে আগামী ফেব্রুয়ারী মাস থেকে দুরশিক্ষনের মাধ্যমে (অনলাইনে)  এইচ. এস.সি. (মানবিক) শিক্ষা কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রকৃত সংখ্যা নিরূপনে তিনি অতিসত্ত্বর দূতাবাসে যোগাযোগের জন্য অনুরোধ জানান। তাছাড়া, দক্ষিণ কোরিয়া হতে ইপিএস কর্মীদের মরদেহ দ্রুততম সময়ে দেশে প্রেরণের ক্ষেত্রে তিনি উপস্থিত ইপিএস সংগঠন সমূহকে যথাশীঘ্র সম্ভব একটি নিয়মতান্ত্রিক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানান।

০৩.     ইপিএস কর্মীদের নানা সমস্যা ও সমাধান, বিগত সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তের অগ্রগতি এবং দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানকালীন সময়ে করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ নিয়ে একটি উপস্থাপনা প্রদান করেন দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মকিমা বেগম । তিনি বলেন যে, দক্ষিণ কোরিয়া যেহেতু বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রম বাজার, সে কারণে এই বাজার ধরে রাখার জন্য, বাংলাদেশী ইপিএস কর্মীদের ইতিবাচক ভাবমূর্তি সমুন্নত রাখতে হবে। তিনি সমবেত ইপিএস কর্মীদের দক্ষিণ কোরিয়ায় অবস্থানকালীন সময়ে কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার পরামর্শ দেন যাতে তারা দেশে ফিরে গিয়ে উদ্যেক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন।

০৪.      নতুন উদ্যেক্তাদের করণীয় বিষয়ে একটি প্রাণবন্ত উপস্থাপনা প্রদান করেন দূতাবাসের কাউন্সিলর (বাণিজ্য) জনাব মোহাম্মদ মাসুদ রানা চৌধুরী। তার উপস্থাপনায় উপস্থিত অনেক ইপিএস কর্মীই অনুপ্রাণিত হন। পরে ইপিএস ভিত্তিক বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও ইপিএস কর্মীদেরকে উন্মুক্ত আলোচনায় আমন্ত্রণ জানানো হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা কর্মক্ষেত্রে তাদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন এবং দূতাবাসের পক্ষ থেকে তাদের সমস্যা সমূহ যথাসম্ভব সমাধানের চেষ্টা করা হয়। সভার শেষ পর্যায়ে ইপিএস কর্মীদের প্রস্তাবনা সমূহ অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে গৃহীত হয়।

০৫.    পরিশেষে ইপিএস কর্মীদের অংশগ্রহনে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় এবং ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশনা করা হয়।

সিউল, ২০ জানুয়ারি ২০১৯ ।

 

Press Release

            The Embassy of Bangladesh in Seoul held a program to exchange views with EPS Bangladeshi workers on 20th January 2019 at 3.00 PM. A good number of Bangladeshi EPS workers spontaneously participated in this program. The Ambassador welcomed them at her introductory speech. She conveyed the joint in       of the Embassy with Bangladesh Open University (BOU) to facilitate Higher Secondary education of the EPS workers form February 2019 in the branch of Humanities for HSC program. She suggested the willing candidates to communicate their interest to Embassy by 31st January 2019. In addition she also requested the EPS organizations to formulate a welfare fund to adopt a systemic arrangement to send the mortal remains of the deceased Bangladeshi EPS workers.

  1. First Secretary (Labour) Mokima Begum gave a presentation on different problems and possible salutations of Bangladeshi EPS workers ‘Dos &Don’t` while living in the Republic of Korea and progress on the issues discussed during the last such program. She also mentioned that, as Republic of Korea is an important labor market for Bangladesh, so Bangladeshi EPS workers should always try to uphold the positive image of the country. She also suggested them to develop their skills, so that they could establish themselves as an entrepreneur upon their return to Bangladesh.
  1. Counselor (Commerce) Mr. Masud Rana Chowdhury conducted a lively and interactive session on Entrepreneurship which inspired many. Later, the Bangladeshi EPS workers informed the Embassy about different types of problems they are facing in their work places and the Embassy tried to resolve them amicably. Towards the end of the program the recommendations made by the EPS workers were noted with due seriousness/importance. They also gave some proposals, which were considered with distinction.
  1. Finally, there was a cultural program performed by the Bangladeshi EPS workers followed by refreshment with traditional Bangladeshi cuisine.

Seoul, 21 January 2019

 

 

 

Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *